৪৬ তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আসন্ন রমজান তথা ঈদের পর অনুষ্ঠিত হবে বলে পিএসসি’র একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।এছাড়া দেশের প্রথম শারীর সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মারফতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।


Bangladesh civil service (BCS) পরীক্ষা হলো বাংলাদেশের বেসামরিক কর্মকর্তা নিয়োগের সবচেয়ে বড় পাবলিক পরীক্ষা। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার বিসিএস পরীক্ষায় বসে।সামাজিক পদমর্যাদা বেতন ও পাওয়ার এক্সারসাইজের জন্য শিক্ষিত তরুণদের প্রথম পছন্দ থাকে বিসিএস।বিশেষ পরীক্ষা রিলেটেড  কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর নিচে দেওয়া হল :

. বিসিএস পরীক্ষা কী: বিসিএস পরীক্ষা হল বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা নিয়োগের একটি বেসামরিক পরীক্ষ। বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কর্মকর্তারা বিসিএস ক্যাডার নামে পরিচিতি লাভ করেন। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমে ২৬ টি ক্যাডারে সরকার নিয়োগ প্রদান করে থাকেন। 

২. বিসিএসে আবেদন করার যোগ্যতা : আপনি ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রিধারী হলেই বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন। 

৩. কত বছর পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়? :৩০ বছর পর্যন্ত আপনি বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা মুক্তিযোদ্ধার নাতি / নাতনী হন তাহলে ৩২ বছর পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পারবেন। 

৪. বিসিএস পরীক্ষার জন্য কত সিজিপিএ দরকার? : আপনার  সিজিপিএ যদি ২.২৫ বা তার বেশি হয় তাহলে আপনি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন। 

৫. বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন ফি কত? : বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন ফি ৭০০ টাকা। 

৬. বিসিএস পরীক্ষা কিভাবে হয় বা কয় ধাপে দিতে হয়? : বিসিএস পরীক্ষা সাধারণত তিন ধাপে হয়ে থাকে। প্রিলি, রিটেন ও ভাইভা।

৭. আমি কিভাবে বিসিএস ক্যাডার হতে পারবো?:বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্যের প্রয়োজন। পরিশ্রম,মেধা,ভাগ্য ও ধৈর্য  এর ৪ টি জিনিসের সমন্নয় আপনাকে বিসিএস ক্যাডার বানাবে।বেশি বেশি বিগত সালের প্রশ্ন এনালাইছে,  নবম-দশম শ্রেণীর গণিত বই অনুশীলন, নিয়মিত পত্রিকা পড়া, নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই ও নিয়মিত অনুবাদ অনুশীলন আপনাকে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার দৌড়ে অনেক এগিয়ে রাখবে।